সংবাদ শিরোনামঃ
প্রচ্ছদ / গাইবান্ধার খবর / গাইবান্ধার ওসি,এসপি, ডিসি সব আমাদের নিয়ন্ত্রনে চলে–প্রভাতি সংস্থার চেয়ারম্যান ডা: মো: শফিকুল ইসলাম সাজু

গাইবান্ধার ওসি,এসপি, ডিসি সব আমাদের নিয়ন্ত্রনে চলে–প্রভাতি সংস্থার চেয়ারম্যান ডা: মো: শফিকুল ইসলাম সাজু

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধাঃ ‘গাইবান্ধা ডিস্ট্রিকের ডিবি (পুলিশ) কন , ওসি কন, এসপি কন. ডিসি কন যতো কিছুই কন সব আমাদের নিয়ন্ত্রনে চলে ।

গাইবান্ধার ৭ উপজেলায় এমপি, মন্ত্রি. চেয়ারম্যান যতো কিছুই থাক না কেন আমার চেয়ে বড় মাইকেল কেউ নেই । আমি চ্যালেঞ্জ দিলাম কোন এমপি, মন্ত্রি যদি আমার সাথে টিকে থাকতে পারে তাহলে সংস্থা থেকে বহিস্কার হয়ে যাবো ।” এমন কথা বললেন গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার স্থানীয় আশার আলো প্রভাতি সংস্থার চেয়ারম্যান ডা: মো: শফিকুল ইসলাম সাজু ।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (২১ শে ফ্রেব্রুয়ারি ) সন্ধ্যায় গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ডাকবাংলা বাজারে আলোচনা সভা ও কর্মী সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি ।
আশার আলো প্রভাতি সংস্থার চেয়ারম্যান ডা: মো: শফিকুল ইসলাম সাজু আরো বলেন, ”আমার ১ লাখ সদস্য-সদস্যা, আমি তাদের (১ বার করে ) চাল দিতে গেলে দেড় কোটি টাকা লাগে । আমার মতো ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ছেলে জন্ম নিলে দেশে এমপি মন্ত্রি বা সরকার লাগতো না । জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার সাঘাটা-ফুলছড়ির এমপি আর আমাকে গোটা জেলার দায়িত্ব দিয়ে কাজ করতে সরকার অনুমতি দিয়েছে । সরকার শিক্ষা ভাতা দেয় ৬ মাসে দেয় ৩০০ টাকা আমি দেই ৯ শ টাকা । কম দিচ্ছি নাকি ? সরকারের সাথে যুদ্ধ করা লাগলেও আমি করবো তব্ওু জন সেবা করবো । কোথাও কেউ আমার কোন কর্মীর কাজের প্রতিবাদ করলে তোমরা আমাকে অবগত করবা ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাদের তুলে আনাবো । অন্যথায় ক্ষমতা ছাড়বো ।”

অনুষ্টানে আরো বক্তব্য রাখেন, গাইবান্ধা ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ও আশার আলো প্রভাতি সংস্থার সংস্থার পরিচালনা পর্ষদ, আসলাম প্রধান, আব্দুল মতিন, সংস্থার বাদিয়াখালি শাখা ব্যবস্থাপক সিদ্দিুর রহমান, সুন্দরগঞ্জ শাখার ম্যানেজার আব্দুর রাজ্জাক, সংস্থার এরিয়া ম্যানেজার মাহতাব , জুমারবাড়ী শাখা ম্যানেজার, রফিকুল ইসলাম ।

বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়, গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ডাকাবাংলা বাজারে অবস্থিত আশার আলো প্রভাতি সংস্থার সাঘাটা উপজেলা সমাজ সেবা অফিস থেকে কোন লাইসেন্স না থাকায় গাইবান্ধা শহরের খানকা শরীফ এলাকার সেচ্ছাসেবী সংগঠন গাইবান্ধা ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ( রেজিষ্টেশন নং গাই/শহর/১৪৪৩/২০১৭ ইং) লাইসেন্স ব্যবহার করে গাইবান্ধার জেলা ৭ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ১ লাখ অসহায় মানুষদের ত্রান , চাল, ঢেউটিনসহ বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণের নামে ভর্তি ফি বাবদ ৫২০ টাকা মাসিক সঞ্চয় ৫০ টাকা নিয়ে আসছে । সমিতির ভর্তি ও সঞ্চয়ের টাকা সংগ্রহে কয়েক’শ কর্মী জেলার বিভিন্ন প্রান্তে কাজ করছে । প্রতি কর্মীকে মাসে ৬ থেকে ৮ হাজার টাকা বেতনে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রতিদিন ৫ হাজার টাকা উত্তোলণের টার্গেট দিয়েছেন সংস্থার চেয়ারম্যান ।

সংস্থার বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে কথা হলে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আব্দুল মতিন জানান, ‘বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে, সংস্থার চেয়ারম্যানকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে ।’

Check Also

সরকারি নাজির আখতার কলেজের ৯৫ ব্যাচের মেধাবী ছাত্র প্রভাষক মিজানুর রহমানের অকালপ্রয়াণ

বাঙালি বার্তা ডেস্কঃ সরকারি নাজির আখতার কলেজের ৯৫ ব্যাচের মেধাবী ছাত্র ও বোনারপাড়া ডিগ্রী কলেজের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

two × two =