সংবাদ শিরোনামঃ
প্রচ্ছদ / জাতীয় / নেতারা কী করেছে, তা হিসাবের সময় এখন: রাষ্ট্রপতি

নেতারা কী করেছে, তা হিসাবের সময় এখন: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ‘জনগণের জন্য রাজনৈতিক নেতারা কী করেছে, তা হিসাব করার সময় এখন।’

সোমবার বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বরিশাল রাডার ইউনিট এবং হেলিকপ্টার সিমুলেটর ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। বঙ্গভবন থেকে ভার্চুয়ালি এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির পক্ষে ফলক উন্মোচন করেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত।

আবদুল হামিদ বলেন, “১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংসদে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার সমাপনী ভাষণে মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মন-মানসিকতা পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন,‍‌‌‌‌‌‌‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‌‌‌‌‌‍‍‌‌‍‌‌‌‍‌‍‍‍‍‍‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‘যারা তোমায় মাহিনা দেয়, তোমার সংসার চালায়, ট্যাক্স দেয়, তার কাছে তুমি আবার পয়সা খাও। মেন্টালিটি চেঞ্জ করতে হবে। সরকারি কর্মচারী, মন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট-আমরা জনগণের সেবক, আমরা জনগণের মাস্টার নই। এই মেন্টালিটি আমাদের চেঞ্জ করতে হবে। আর যাদের পয়সায় আমাদের সংসার চলে, যাদের পয়সায় আমাদের রাষ্ট্র চলে, যাদের পয়সার আমরা গাড়ি চড়ি, আমরা কার্পেট ব্যবহার করি, তাদের জন্য কী করলাম- সেটাই আজ বড় জিনিস’।”

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘দেশের জনগণ আমাদের মুক্তিসংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারসহ সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রাম, সর্বোপরি দেশের যে কোনো প্রয়োজনে নিজেদের বিলিয়ে দিয়েছেন। এখন সময় এসেছে আমরা তাদের জন্য কতটুকু করেছি বা করছি, তা হিসাব করার। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আজ আমরা বলি, আমরা কী পেলাম। বঙ্গবন্ধুর একজন কর্মী হিসেবে সবসময়ই দেখেছি, তিনি নিজে যা বিশ্বাস করতেন, তাই বলতেন। নিজের বা পরিবারের কথা না ভেবে দেশ ও জনগণের কল্যাণই ছিল তার সকল চিন্তা-চেতনায়।’

বিমান বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, “মনে রাখবেন, পরিশ্রম ও সততার কোনো বিকল্প নেই। সুদৃঢ় মনোবল, কঠোর পরিশ্রম, সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও দেশপ্রেমই আপনাদেরকে পেশাগত জীবনে উৎকর্ষের শিখরে পৌঁছে দিতে পারে।

Check Also

কারাগারেই মৃত্যু হলো লেখক মুশতাক আহম্মেদের,দেশজুড়ে প্রতিবাদ

ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে গত বছর মে মাসে আটক হওয়া লেখক মুশতাক আহমেদ কাশিমপুর কারাগারে আটক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

two × four =