সংবাদ শিরোনামঃ
প্রচ্ছদ / বগুড়ার খবর / বগুড়া’র সরকারি দু’টি হাসপাতালে এস আলম গ্রুপের ২০টি হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা হস্তান্তর

বগুড়া’র সরকারি দু’টি হাসপাতালে এস আলম গ্রুপের ২০টি হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা হস্তান্তর

মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ, বগুড়া প্রতিনিধিঃ
করোনা বিশেষায়িত বগুড়া সরকারি মোহাম্মাদ আলী হাসপাতালে অক্সিজেন অভাবে একদিনে ৭জন রোগী মৃত্যুর পরদিনই উচ্চ মাত্রার অক্সিজেন সরবরাহ যন্ত্র হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা অনুদান দিয়েছে দেশের শীর্ষ স্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ‘এস আলম গ্রুপ। মোহাম্মাদ আলী হাসপাতালে দশটি ও শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটের জন্য দশটিসহ অনুদানের এই ২০টি ক্যানোলা সংকটনাপন্ন রোগীদের জন্য ব্যবহার করা হবে। শনিবার এস আলম গ্রুপের পক্ষে ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড বগুড়া জোন প্রধান ও ব্যাংকের এক্ব্রিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুস সোবহান এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক রাজশাহী অঞ্চল প্রধান ও ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সেলিম উল্লাহ চিকিৎসা সরঞ্জামগুলো বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মোহসিন ও মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এটিএম নুরুজ্জামান সঞ্চয় এর কাছে হস্তান্তর করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বগুড়ার জেলা প্রশাসক মোঃ জিয়াউল হক, সিভিল সার্জন ডা. গওসুল আজিম চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) বগুড়া শাখার সহ-সভাপতি ডা. আব্দুল হাকিম, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ বগুড়া শাখার সভাপতি ডা. সামির হোসেন মিশু এবং মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক শফিক আমিন কাজল উপস্থিত ছিলেন।
মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. এটিএম নুরুজ্জামান সঞ্চয় ১০টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা উপহার হিসেবে প্রদান করায় ‘এস আলম গ্রুপথ-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, নতুন ১০টি হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা সংযোজন করার পর হাসপাতালের আইসিইউ (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) ইউনিটটি স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে। কারণ আইসিইউ ইউনিটটি ৮ শয্যার হলেও সেখানে মাত্র ২টি ন্যাজাল ক্যানোলা কাজ করছিল। তিনি আরো বলেন, এই হাসপাতালের জন্য কেন্দ্রীয় ঔষাধাগারে আরও ১০টি ন্যাজাল ক্যানোলার চাহিদা দেয়া হয়েছে।
বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ জানান, নতুন ১০টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা সংযোজন করা গেলে ওই হাসপাতালের ২২টি শয্যায় উচ্চ মাত্রায় অক্সিজেন সরবরাহ করা সম্ভব হবে। বর্তমানে সেখানে আইসিইউ ওয়ার্ডের ১০টি বেডে হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা ব্যবহৃত হচ্ছে। শজিমেক হাসপাতালের ১০০ শয্যার করোনা ইউনিটে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ১০২ জন ভর্তি ছিল। এ ছাড়া রোগীর চাপ বৃদ্ধির কারনে এ হাসপাতালের মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডকে করোনা ওয়ার্ডে রূপান্তরের কাজ চলছে। নতুন এ ওয়ার্ডের ১০০ বেডে রোববার থেকেই রোগী ভর্তি শুরু হতে পারে।

Check Also

সারিয়াকান্দির নয়া ইউএনও’র সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়

বগুড়ায় সারিয়াকান্দি উপজেলার নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাউল করিমের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন আমরা মুক্তিযোদ্ধার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

nineteen − twelve =