সংবাদ শিরোনামঃ
প্রচ্ছদ / বগুড়ার খবর / বগুড়ায় স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাঃ অবশেষে অভিযোগ নিলো পুলিশ

বগুড়ায় স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাঃ অবশেষে অভিযোগ নিলো পুলিশ

মো. আব্দুল ওয়াদুদ, বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ায় ১০ম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী মায়িশা ফাহমিদা সেমন্তীর (১৫) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনায় পুলিশের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার গতি পাল্টানোর অভিযোগ তুলেছে তার বাবা হাসানুল হক রুমন। আত্মহত্যার ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিচারের দাবীতে চলছে বিভিন্ন কমেন্টস। পুলিশ অবশেষে মেয়ের বাবার অভিযোগ আমলে নিয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, বগুড়া শহরের ওয়াই এম সি এ পাবলিক স্কুল ও কলেজের ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী ও বগুড়া শহরের অভিজাত আবাসিক এলাকা জলেশ্বরীতলার ব্যবসায়ী হাসানুল মাশরেক রুমনের মেয়ে মায়িশা ফাহমিদা সেমন্তী (১৫)। সে গত ১৭ জুন দিবাগত মাঝরাতের কোন এক সময় নিজের শয়ন কক্ষে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। সকালে এই মর্মান্তিক ঘটনা জানতে পেরে হতভম্ব হয়ে পড়ে সেমন্তীর মা বাবা সহ অন্য সবাই। ওই দিনই পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে এবং বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্ত করে। লাশ দাফনের পরে এ ব্যাপারে বগুড়া সদর থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা করা হয়। সেমন্তীর মৃত্যুর ঘটনার ঘটনার পরপরই তার সহপাঠীদের সুত্রে তার বাবা ও পরিবারের কাছে কিছু তথ্য হস্তগত হয়। যাতে সেমন্তীর বাবার কাছে মনে হয় তার মেয়ে কারো দারা ব্লাকমেইলিং হয়েছিল। কেউ তার মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব বা প্রেম করে বিশ্বাস ভংগ ও প্রতারণা করেছিল যার পরিণতিতেই সেমন্তী আত্মহত্যায় প্ররোচিত বা বাধ্য হয়েছিল। এরপর সেমন্তীর বাবা তার মেয়ের ফেসবুক আইডি, মেয়ের ব্যবহ্যত মোবাইল ফোন, মেয়ের কথিত বন্ধু, অন্তর ও প্রেমিক আবির এর মোবাইল ফোনের নম্বর এবং তাদের মধ্যে চলা ফোনে ও ফেসবুক মেসেঞ্জারের মেসেজ এর বিবরণসহ বগুড়া সদর থানায় ১৮ জুন একটি অভিযোগ দেন। মেয়ের মৃত্যুতে হতাশ হয়ে ২৭ জুন থেকে সেমন্তীর বাবা হাসানুল মাশরেক রুমন নিজের ফেসবুক আইডিতে নিজের ফুলের মত সুন্দর কিশোরী মেয়ের ছবি সহ একাধিক হৃদয় স্পর্শি স্ট্যাটাস পোষ্ট করেন। ফলে ঘটনাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। বিষয়টা উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের নজরে আসে। হাসানুল হক রুমন জানান, পুলিশ সুপার তাকে বৃহস্পতিবার ডেকেছিলেন এবং বলেছেন, মেয়ের মোবাইল ফোন সহ তথ্য দিয়ে যান। অচিরেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। বগুড়া সদর থানার ওসি এসএম বদিউজ্জামান জানান, গত ১৮ জুন এ বিষয়ে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা হয়েছে। বাদী ওই মেয়ের ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন ও মেমোরি কার্ড দিয়েছে। আমরা সেই সমূত্র ধরেই এগুচ্ছি। তার অভিযোগটি গ্রহন করা হয়েছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন রহস্য উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়নি।

Check Also

রোটারী ক্লাব অব বগুড়ার উদ্যোগে বগুড়ায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালিত

মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ,বগুড়া প্রতিনিধিঃ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় যথাযত স্বাস্থ্যবিধি মেনে বগুড়া সরকারি আজিজুল হক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

7 + 12 =