সংবাদ শিরোনামঃ
প্রচ্ছদ / গাইবান্ধার খবর / ভাসমান বাঁশের সাঁকোই এখন সাঘাটা-গাইবান্ধা সড়ক যোগাযোগের একমাত্র ভরসা

ভাসমান বাঁশের সাঁকোই এখন সাঘাটা-গাইবান্ধা সড়ক যোগাযোগের একমাত্র ভরসা

জয়নুল আবেদীন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধা জেলা শহরের সাথে দুই উপজেলাবাসির যোগাযোগ ভরসা এখন ভাসমান বাঁশের সাাঁকো। বন্যায় সাঘাটা-গাইবান্ধা সড়ক ভেঙ্গে সৃষ্টি হওয়া গভীর খালের উপর এ সাঁকো। ফলে সড়কে বাস,ট্রাকসহ ভারী যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
সাঁকো পাড়াপাড় হতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কখন যে কি হয়, এই ঝুঁকি নিয়ে চলছে শত শত ছোট ছোট যানবাহন। ফলে সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলাবাসির ভোগান্তির নাম এখন সাঘাটা-গাইবান্ধা সড়ক।

সাঘাটা ও ফুলছড়ি দুই উপজেলাবাসীর গাইবান্ধা জেলা শহরসহ দেশের অন্যান্য জেলা ও রাজধানীর সাথে একমাত্র সড়ক যোগাযোগ মাধ্যম সাঘাটা-গাইবান্ধা সড়ক । সম্প্রতিক সময়ে বয়ে যাওয়া ভয়াবহ বন্যার প্রবল পানির চাপে সড়ক ও জনপথের ব্যস্ততম সাঘাটা-গাইবান্ধা সড়কটি ভরতখালী ইউনিয়নের পোড়াগ্রাম এলাকায় ভেঙ্গে সড়কের স্থানে প্রায় দেড় শত ফুট জুড়ে গভীর খালের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে গাইবান্ধাসহ দেশের অন্যান্য জেলা শহরের সাথে সাঘাটা ও ফুলছড়ি দুই উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বন্যার সময় সড়ক ও জনপথ বিভাগ ওই খালের উপর রাবার ড্রামে বাঁশের সাঁকো তৈরী করে ছোট যান চলের ব্যবস্থা করে । কিন্তু এর কয়েক দিনের মধ্যেই বন্যার পানি কমে যাওয়ার সাথে খালের পানিও কমে গেলে ভাসমান সাঁকোটিও খালের নিচের নেমে যেতে থাকে। এতে খালের দু’পাড়ে সড়কের ঢালুর উচ্চতা বেড়ে যাওয়ার কারণে ছোট ছোট যানবাহন ওঠা নামা করতে পারছে না । সিএনজি চালক ছামসুল হক, মোখলেছুর রহমান,সহ আরও অনেকেই জানান, যাত্রী নেমে দিয়ে খালী সিএনজি নিয়ে পাড় হতেও ভয় লাগে।ভাসমান বাঁশের সাঁকোরটির দু’পাশে রেলিং নেই, যে কোন মুহুর্তে সিএনজি ও অটোরিক্সা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সাঁকো থেকে গভীর খাতে পড়ে যেতে পারে। এরপরও প্রয়োজনের তাগিদে ঝুঁকি নিয়েই সাঁকো পাড় হতে হচ্ছে। কবে নাগাদ এই গভীর খাল ভরাটসহ সংস্কার করে সড়কটি স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে পাবে সাঘাটা-ফুলছড়ি উপজেলার ভুক্তভোগিদের এখনও অজানা ।
সাঘাটা বাজারের পাট ব্যবসায়ী গৌতম কুমার চন্দ জানান, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার কারণে পাট কিনতে পারছেন না তিনিসহ আর অনেকেই। এব্যাপারে গাইবান্ধা সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী আসাদুজ্জামানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, সড়কটি সংস্কারের জন্য প্রায় দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে ইতিমধ্যেই টেন্ডার দেয়া হয়েছে জরুরী ভাবে কাজ শুরু হবে।

Check Also

বাবার মৃত্যুর ১৯ দিন পর জন্ম নিলো দুর্ঘটনায় নিহত পরমাণু প্রকৗশলীর দ্বিতীয় সন্তান

মনজুর হাবীব মনজু,গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি : সাভারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রকৌশলী কাওছার …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

three + five =