সংবাদ শিরোনামঃ
প্রচ্ছদ / গাইবান্ধার খবর / সাঘাটায় মামলার আসামীর বিরুদ্ধে বাদীর প্রাণনাশের হুমকীর অভিযোগ

সাঘাটায় মামলার আসামীর বিরুদ্ধে বাদীর প্রাণনাশের হুমকীর অভিযোগ

জয়নুল আবেদীন,স্টাফ রিপোর্টারঃ সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ী ইউনিয়নের চাঁনপাড়া গ্রামে আব্দুল্যা ওরফে ওয়ান্নাস নামে এক মামলার বাদিকে আসামী পক্ষ প্রণনাশের হমকী অব্যহত রেখেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে । মামলার আসামীরা জামিনে মুক্তিপেয়ে হুমকী অব্যহত রাখার কারণে বাদী ওয়ান্নাসসহ তার পরিবার চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে। ভুক্তভুগি ওয়ান্নাস নিরুপায় হয়ে জীবনের নিরাপত্তার জন্য সাঘাটা থানায় সাধারণ ডায়েরী করার জন্য আবেদন করেছেন।
থানায় দায়ের করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, উক্ত চাঁনপাড়া গ্রামের মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে ওয়ান্নাসের সাথে পার্শ্ববর্তী গ্রামের আবুল খায়ের প্রধন (৫০),জুয়েল মাষ্টার (৪০),মুকুল মিয়া (৪৫),মিনাল মিয়া (৪০) ও বাদল মিয়ার জমি-জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। সেই সূত্র ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন সাম্প্রতিক ওয়ান্নাসের বাগানের বেশকিছু মূল্যবান কাঠের গাছ কেটে নিলে উল্লেখিত লোকজনসহ ১০ জনকে আসামী করে চলতি বছর ২৭ জানুয়ারী ওয়ান্নাস সাঘাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার বাদী ওয়ান্নাস জানান,আসামীরা জামিনে মুক্তি পেয়ে তাকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করার পাশাপাশি জীবনে শেষ করে ফেলার হুমকী দিতে থাকে। এরই এক পর্যায়ে গত ৮ মার্চ মামলার কারণে গাইবান্ধা কোর্টে যায় ওয়ান্নাস । পরে কোর্ট থেকে বাড়ি ফেরার সময় আসামীদের বাড়ির নিকটবর্তী স্থানে পৌছামাত্র আসামীরা পথিমধ্যে তাকে একা পেয়ে হত্যা করার উদ্দেশ্যে ধাওয়া করে। ওয়ান্নাস ঘটনা বেগতিক বুঝে প্রাণের ভয়ে দৌড়ে পার্শ্ববর্তী বাড়িতে পালিয়ে আত্মরক্ষা করেন। পরে ওয়ান্নাস নিজের এবং পরিবারের লোকজনের নিরাপত্তার জন্য সাঘাটা থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরী করার আবেদন করেছেন। আবেদনের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা থানার এ এস আই মামুনুর রশিদ এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এখনও স্বাক্ষী পাওয়া যায়নি, স্বাক্ষী প্রমান পেলে নোট দেয়া হবে।

Check Also

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে জান্নাত ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃদ্ধাশ্রমে খাবার বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টারঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে সামাজিক সেবামূলক সংগঠন ❝জান্নাত ফাউন্ডেশন❞ এর উদ্যোগে মেহেরুন্নেছা বৃদ্ধাশ্রম পলাশবাড়ীতে অবস্থারত …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

five × 3 =