সংবাদ শিরোনামঃ
প্রচ্ছদ / বগুড়ার খবর / সান্তাহার আজমেরী গ্রুপের বিরুদ্ধে নিম্নমানের ও চারা গজানো গম আমদানির অভিযোগ উঠেছে

সান্তাহার আজমেরী গ্রুপের বিরুদ্ধে নিম্নমানের ও চারা গজানো গম আমদানির অভিযোগ উঠেছে

আবু বক্কর সিদ্দিক,আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি:
সান্তাহার পৌর শহরের আজমেরী গ্রুপের বিরুদ্ধে ভারত থেকে আবারোও নিম্নমানের ও চারা গজানো গম আমদানী করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর আগেও প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ভারত থেকে মেয়াদ উত্তীর্ন ও পোকা খাওয়া গম আমদানির অভিযোগ উঠেছিল। বুধবার সকালে সরেজমিন সান্তাহার কলেজ রোড এলাকায় গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে ।
স্থানীয়ভাবে পাওয়া অভিযোগে জানা গেছে, আজমেরী গ্রুপ নামের ওই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ দিন থেকে দেশীয় উৎস থেকে পাওয়া গম দিয়ে আটা, ময়দা, সুজি ও ভুসি উৎপাদন করে আসছে। বর্তমানে দেশীয় গমের দাম চড়া এবং প্রয়োজনীয় পরিমান না মেলার কারনে ভারত থেকে পোকা নি¤œমানের ও চারা গজানো গম আমদানী করছে প্রতিষ্ঠানটি। সেখানে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় গম গুলোর অধিকাংশ নি¤œমানের এবং বস্তা ফুটো করে গজিয়েছে গমের চারা। অনেক বস্তার গম পচে বস্তাসহ নষ্ট গেছে। আজমেরী গ্রুপ গত ফেব্রুয়ারি মাসে ভারত থেকে নিয়ে আসে পোকা খাওয়া ও মেয়াদ উত্তীর্ন প্রায় আড়াই হাজার মেট্টিক টন গম। এবারও ৪২টি গম বোঝাই ভারতীয় ওয়াগনে প্রায় আড়াই হাজার মেট্রিক টন গম এসেছে জংশন ষ্টেশন সান্তাহারে। সেগুলো দ্রুত গতিতে খালাস করে ট্রাক যোগে ওই প্রতিষ্ঠানের মিল ও গুদামে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সান্তাহার শহরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ি বলেন, আমরা আজমেরী গ্রুপের আজমেরী আটা, ময়দা ও সুজি বিক্রয় করে আসছি দীর্ঘ দিন থেকে । কিন্তু শহরের মানুষের মুখে পোকা খাওয়া গম আমদানির কথা শুনে ওই প্রতিষ্ঠানের পন্য বিক্রি করা নিয়ে আমরা আতংকিত । এ বিষয়ে খালাস এলাকায় থাকা আমদানীকারক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরত আকরাম হোসেন বলেন, বৃষ্টিতে ভেজার কারনে কিছু গমের বস্তায় চারা গজিয়েছে বাঁিক সব গম ভাল। তিনি আরোও জানান, আজমেরী গ্রুপের মালিক অপরিচিত কারো ফোন ধরেন না বা কথা বলেন না । উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক গোলাম রব্বানী বলেন, আমদানী করা গম বিষয়ে আমাদের কাছে কোন তথ্য নেই, এটি বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের বিষয়। বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউটের (বিএসটিআই) বগুড়া কার্যালয়ের পরিদর্শক জুলফিকার আলী বলেন, গম থেকে উৎপাদিত খাদ্য আমরা পরীক্ষা করে সনদ দেই । গম দেকভালের দায়িত্ব জাতীয় ভোক্ত অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের। বিষয়টি নিয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের বগুড়া কার্যালয়ের সহকারী পরিাচালকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের মালিক রাকেশ সাহার ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেন নি।

Check Also

জনস্থানে নারীর নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মো: আবু বকর সিদ্দিক বক্কর,আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি: রোববার দুপুরে বগুড়ার একটি কনভেনশন সেন্টারের জনস্থানে নারীর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

17 − 1 =