সংবাদ শিরোনামঃ
প্রচ্ছদ / বগুড়ার খবর / সোনাতলার চরপাড়ায় বৈধ কেবল নেটওয়ার্ক ব্যবসায়ীর ব্যবসায় বাঁধা ও হুমকির অভিযোগ

সোনাতলার চরপাড়ায় বৈধ কেবল নেটওয়ার্ক ব্যবসায়ীর ব্যবসায় বাঁধা ও হুমকির অভিযোগ

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার জোড়গাছা ইউনিয়নের চরপাড়ায় বৈধ কেবল নেটওয়ার্ক ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল্লাহ্ আল মাসউদের ব্যবসায় বাঁধা ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগগুলো সোনাতলা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তর ও সোনাতলা থানায় করেছেন ভুক্তভোগী। এছাড়াও সাংবাদিকদের ডেকে ৩০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার তিনি তাঁর অভিযোগ তুলে ধরেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রধান কার্যালয়, লাইসেন্স শাখা হতে কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন, ২০০৬ এর অধীন কেবল অপারেটর লাইসেন্সধারী (লাইসেন্স নং সিও-৪০০, রেজি: নং ১৬০৩, লাইসেন্স প্রদানের তারিখ: ১৩-০৪-২০২১, কার্যক্রম পরিচালনা এলাকা: বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার ৪ নং জোড়গাছা ইউনিয়ন) এমপিরন নেটওয়ার্কসের স্বত্ত্বাধীকারী, উপজেলার দক্ষিণ চরপাড়া গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা মো: ছালেক উদ্দীনের ছেলে মোঃ আব্দুল্লাহ্ আল মাসউদ জানান, ‘আমি দীর্ঘদিন যাবত জোড়গাছা ইউনিয়নে কেবল নেটওয়ার্ক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। ২০২১ সালে আমি বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রধান কার্যালয়, লাইসেন্স শাখা হতে কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন, ২০০৬ এর অধীন কেবল অপারেটর লাইসেন্স গ্রহণ করি। যেখানে সমগ্র জোড়গাছা ইউনিয়নকে আমার কর্ম এলাকা হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। সে অনুযায়ী আমার ব্যবসায়ীক কর্মকান্ড পরিচালনা করতে গেলে বার বার এলাকার কয়েকটি বিশেষ মহলের বাঁধার সম্মুখিন হচ্ছি। ইতিপূর্বে তারা আমার ব্যবসাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে নানা অপতৎপরতা চালায়। হামলার শিকার হই আমি, ক্ষতি হয় কয়েক লক্ষাধিক টাকার মালামাল। সম্প্রতি স্থানীয় রাসেল মাহমুদ ও মাহমুদ ইসলাম রঙিন গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে আমাকে হুমকি-ধামকি দেয়। আবারও গত ২৯ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকেল ৩ টার দিকে রাসেল মাহমুদ ও নাহারুল ইসলাম আমার কেবল নেটওয়ার্ক থেকে দক্ষিণ চরপাড়া ঈদগাহ সংলগ্ন এলাকা হতে উত্তর বয়ড়া এলাকায় সংযোগ দেয়ার সময় বাঁধা দেয় ও মূল্যবান ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবল কেটে নষ্ট করে ফেলে। তারা দক্ষিণ চরপাড়া হতে চরপাড়া বাজার পর্যন্ত কেবল নেটওয়ার্কের মূল্যবান তারগুলো কেটে ফেলে। এতে আমার প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধিত হয়। ক্ষতি সাধনকারীরা ক্ষতির পাশাপাশি আমাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। আমি তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল ফোনে বিষয়টি সোনাতলা থানা প্রশাসনকে অবহিত করি। বর্তমানে আমি ভীত সন্ত্রস্ত অবস্থায় রয়েছি। এ অবস্থায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
এ ব্যাপারে সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম রেজার সাথে কথা বললে তিনি জানান, ‘এমন ঘটনায় সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের কাছে কেউ কোন অভিযোগ করেনি। তবে, কিছুদিন আগে মাহমুদ ইসলাম রঙিন থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’

Check Also

সোনাতলায় বায়তুল মামুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে খাটিয়া প্রদান

আব্দুর রাজ্জাক, স্টাফ রিপোর্টারঃ শনিবার দুপুরে সোনাতলা উপজেলা পরিষদে বায়তুল মামুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে উপজেলা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

two × five =