সংবাদ শিরোনামঃ
প্রচ্ছদ / বগুড়ার খবর / সোনাতলায় প্রভাবশালী বালুদস্যুরা প্রশাসনের চোখে ধুলা দিয়ে রাতের অন্ধকারে তুলছে বালু

সোনাতলায় প্রভাবশালী বালুদস্যুরা প্রশাসনের চোখে ধুলা দিয়ে রাতের অন্ধকারে তুলছে বালু

 সোনাতলায় প্রভাবশালী বালুদস্যুরা প্রশাসনের চোখে ধুলা দিয়ে রাতের অন্ধকারে তুলছে বালু  আব্দুর রাজ্জাক, স্টাফ রিপোর্টার: সোনাতলায় প্রভাবশালী বালুদস্যুরা প্রশাসনের চোখে ধুলা দিয়ে রাতের অন্ধকারে বিধি-নিষেধ ও নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে তুলছে বালু। এতে করে প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশ ও প্রকৃতি। এদের সীমাহীন তাণ্ডবে ইতোমধ্যেই উপজেলার বিস্তীর্ণ ফসলী জমি ও বাড়িঘর দেবে গেছে।তাদের বেপরোয়া বালু উত্তোলনের কারণে উপজেলার বিভিন্ন স্পটে নদী তীরবর্তী অঞ্চলে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বালুর ট্রাকের কারণে দেবে গিয়ে খানাখন্দকে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকটি গ্রামীণ সড়ক ইতিমধ্যে নষ্ট হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। অনিয়মতান্ত্রিকভাবে বালু উত্তোলনের কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়ে মানুষ রয়েছে চরম আতঙ্কের মধ্যে।

এমনি বেপরোয়া বালু উত্তোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার লোহাগাড়া। লোহাগাড়া ব্রীজের পাশের খাল থেকে বেপরোয়াভাবে বালু উত্তোলন করছে এক শ্রেণির প্রভাবশালী অসাধু বালুদস্যু। সরকারি দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পদ পদবীর দোহাই দিয়ে নিয়মিত যমুনা নদীর মাঝ থেকে বড় নৌকায় করে বালু লুট করে কিনারায় এসে বিক্রি করছেন তারা। এ ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন নদী ও খাল থেকে সিন্ডিকেট করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে লক্ষ টাকা আয় করছে ওই চক্রটি। রাজনৈতিক নেতা নামধারী গডফাদারের ছত্রছায়ায় বালু উত্তোলন করা এই মহলটি ধরাকে সরা জ্ঞান করে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের অপকর্ম।

প্রশাসন বালু উত্তোলন ঠেকাতে কিছুটা তৎপর থাকলেও কৌশল অবলম্বন করে রাতে্র আধারে বালু উত্তোলন করে সকাল ১০টার মধ‍্যে তা বিক্রি করে থাকে এই চক্রটি।
এদিকে বালুদস্যুদের হুমকির কাছে অসহায় হয়ে পড়েছে স্থানীয় জনসাধারণ। বেপরোয়া এই বালু উত্তোলন বন্ধে বিভিন্ন সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেও তাদের দমানো যাচ্ছে না বলে প্রশাসন সূত্র জানায়।
উপজেলার লোহাগারা ব্রীজ সংলগ্ন বালু ব‍্যবসায়ী হানিফের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা যা করি সিস্টেম করেই বালু উত্তোলন করি, বোঝেন না।’ আবার অনেকে বলে বর্তমানে ড্রেজার মেশিন সড়িয়ে ফেলেছি। আগের উত্তোলনকৃত বালুগুলো আমরা এখন বিক্রি করছি মাত্র।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া আফরিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, উপজেলায় সবকটি বালু পয়েন্ট বন্ধ আছে। তবে অনেক বালু ব‍্যবসায়ী কৌশলে রাতের অন্ধকারে তুলছে বালু। তাদের ঠিকানা ও তথ্য দিলে রাতেই অভিযান পরিচালনা করা হবে।’

Check Also

সোনাতলায় বায়তুল মামুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে খাটিয়া প্রদান

আব্দুর রাজ্জাক, স্টাফ রিপোর্টারঃ শনিবার দুপুরে সোনাতলা উপজেলা পরিষদে বায়তুল মামুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে উপজেলা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

12 + 6 =