সংবাদ শিরোনামঃ
প্রচ্ছদ / বগুড়ার খবর / সোনাতলায় সরকারি রাস্তার উপর বাড়ী নির্মাণ করায় দুই পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্বে থানায় অভিযোগ

সোনাতলায় সরকারি রাস্তার উপর বাড়ী নির্মাণ করায় দুই পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্বে থানায় অভিযোগ

আব্দুর রাজ্জাক, স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার তেকানী চুকাইনগর ইউনিয়ন ও পাকুল্লা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী পূর্ব তেকানী (মুশরপাড়া) গ্রামে সরকারি রাস্তার উপর বাড়ি নির্মাণ করায়,দীর্ঘদিন যাবৎ দুই পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্বসহ এলাকাবাসীর চলাচলের সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার তেকানী চুকাইনগর ইউনিয়নের আমতলী মৌজা ও পাকুল্লা ইউনিয়নের রাধাকান্তপুর মৌজার সীমান্তবর্তী রাস্তার উপর মৃত ফজর উদ্দিন সরকারের ছেলে মহসেন আলী ও মতিয়ার রহমান মতি সরকার বাড়ি নির্মাণ করে দীর্ঘদিন যাবৎ বসবাস করে আসছে। মহসেন আলীর ও মতি সরকারের জেঠাতো ভাই খয়রা সরকারের ছেলে ফুলমিয়া ও চাচাতো ভাই মৃত জালালের ছেলে মাসুদ মিয়া সার্ভেয়ার দ্বারা জমি মাপযোগ করে দেখে, সীমান্তবর্তী ওই সরকারী রাস্তা তাদের ভোগদখলীয় জমির মধ্যে পড়েছে। তিন শরিকের ভোগদখলীয় রাস্তা সংলগ্ন ৪ শতাংশ জমি সাইড উল্লেখ করে মহসেন আলী তার ছেলেকে দান করে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটিসহ অকথ্য গালি-গালাজের ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে ফুল মিয়া ও মাসুদ মিয়া পরিবারের লোকজন ওই রাস্তা দিয়ে যাওয়া যানবাহন আটকে দেওয়ার কারণে উভয়ের মধ্যে হাতা-হাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মাসুদ মিয়া মারপিটের অভিযোগ তুলে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এ ব্যপারে মাসুদ মিয়া জানান, সরকারি রাস্তার জমি মহসেন আলীর ও তার ভাই মতিয়ার জোরপূর্বক দখল করে বাড়ি নির্মাণ করেছে।
এ ব্যাপারে মহসেন আলী ও মতির সাথে কথা বললে তারা জানান, পাকিস্থান আমল থেকে আমরা ঘরবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছি। আমাদের বাড়ীর দক্ষিণ পাশ্বে সরকারি রাস্তা দিয়ে লোকজন যাতয়াত করেছে। তারা আরও জানান, রাস্তাসংলগ্ন দক্ষিণ পাশে জমিও আমাদের। যদি সরকারি রাস্তা আমাদের বাড়ির ভিতরে যায়, তাহলে রাস্তা সংলগ্ন ওই পরিমাণ জমি রাস্তার জন্য দিয়ে দিবো।
এ ব্যপারে সোনাতলা থানার এসআই নূর ইসলাম অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

Check Also

সোনাতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের শয্যাপাশে সাহাদারা মান্নান এমপি

ইকবাল কবির লেমনঃ সোমবার সকালে সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের শয্যাপাশে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নিলেন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

seven + 13 =